| |
A gift to my Freind - 2008/08/04 01:01 |
|
Paagol

| Posts: 267 |   | Karma: 0
|
ঘোষনা ! এই শব্দটির সাথে আমরা সকলেই খুব ভাল করে পরিচিত । লিখার শুরুতেই ঘোষনা শব্দটির আনয়ন এর অবশ্যই কোন উদ্দেশ্য রয়েছে । কিন্তু সেটা প্রকাশ করবার প্রয়োজন বোধ করছি না । আজকাল যখনই লিখতে বসি তখন শুধু আক্ষেপ ঝড়ে ঝড়ে পরে আমার কলম থেকে । অনেক আক্ষেপ করলাম অনেকে মিলে, তাই আজকে অন্তত আক্ষেপ করে নিজের ও অন্যদের বিরক্তির উদ্রেক করব না । আমার খুব ভাল একজন বন্ধু আমাকে মাঝে মাঝেই বলত তুমি শুধু কবিতাই কেন লিখ ? মাঝে মাঝে দু একটা গল্প কেন লিখ না ? তাঁর এই প্রশ্ন শুনে আমি চুপ করে থাকতাম , আর মনে মনে ভাবতাম ... আমি কি করে গল্প লিখব ? হাজার হাজার শব্দকে শত শত লাইনে এক সুঁতোয় বাধবার ক্ষমতা কি আমার আছে? চেষ্টাটাও করে দেখনি কখনও? কেন করিনি? বোধ করি, এত্ত সব মানুষের বহু গল্প বা লিখা পড়েছি আর এত ভাললাগা সৃষ্টি হয়েছে সেই লিখাগুলো পড়ে, যে নিজের লিখাটা যে কোন মানের হবে তা নিয়ে সংশয় অন্তরে বিদ্যমান ছিল সর্বদা। আর সেই থেকে ভয় । বহুদিন পরে আজ আমার সেই হারানো বন্ধুকে স্মরণ করে লিখতে বসলাম । সেই বন্ধু আমার পিছন থেকে অনবরত সাহস যুগিয়ে চলেছে। শুনতে পাচ্ছি তার বলে যাওয়া কথাগুলো । যদিও তার সাথে আমার কোন রকম যোগাযোগ নেই বহু দিন ধরে । বিডিবি ও ছেড়ে গেছে বহুদিন । আজকের দিনে তাই তাকে মনে করেই লিখতে বসা ।
"...................
......."
রাতের পর রাত জেগে একা একা বসে থাকা আমার অনেক পুরোন অভ্যেস । নিজের মাঝেই অনেক বেশী সময় মগ্ন হয়ে থাকি বলে নিজেকে কয়েকটা চোখে দেখা বা পর্যবেক্ষন করা শুরু করেছি বেশ কিছু দিন থেকেই । খেলার ছলে নিজের উপর বিভিন্ন চোখ থেকে, বিভিন্ন সময়ে করা মন্তব্য গুলো লিখে রাখতে শুরু করেছিলাম । এমন করে বছর খানিক যাবার পর খুলে বসলাম নিজেকে নিয়ে লিখা নিজের মন্তব্যের পাতাঁগুলো । পড়তে পড়তে মাঝে মাঝেই উচ্চস্বরে হেসে উঠছিলাম । কি যে সব হাস্যকর মন্তব্য নিজেকে নিজে করেছি । পড়তে পড়তে হঠাৎ করে এক যায়গায় থমকে গেলাম । পরক্ষনেই লক্ষ্য করলাম দুচোখ দিয়ে অশ্রুরাজি গড়িয়ে পরছে অনবরত । যেখানে এসে থমকে গেলাম, সেখানে কোন খেলা নেই, কোন মন্তব্যও নেই , আছে একটি দীর্ঘ লিখা । এলোমেলো ভাবে লিখা। নেই লিখার নীচে কোন সাক্ষর । পড়তে শুরু করলাম আবার
....................
.
“ নীল সাগর তীরের ছোট্ট গ্রামে আমার জন্ম বলেই হয়ত আমি নীল সাগরের তীর ধরে ছোটাছুটি করতে এতটা ভালবাসি। মাঝে মাঝে ঐ নীচু পাথর থেকে ঝাঁপ দিয়ে পড়ি নীল পানিতে । মা - বাবার অজস্র বকা ঝকা আমাকে দমাতে পারেনি । জীবনের বহু সময় সাগরের বুক চিরে সাঁতরে বেড়িয়েছি । সাগরটাকে অনেক ভালবাসি এই জন্যেই । রাতের পর রাত কাটিয়ে দিয়েছি তীরে ছিটকে পড়া ঢেউ এর সাথে কথা বলতে বলতে । আমার জানালা ঘেঁসা বিশাল ইউক্যালিপ্টাস গাছটিকে বয়সের সাক্ষী করে বেড়ে উঠেছি । রাত বাড়ার সাথে সাথে কেমন যেন মাদকতাময় একটা সুবাস ছড়াত আমার এই সঙ্গীটি । আর রাতের ঐ বেয়াড়া পাখিগুলো কী আমাকে ঘুমোতে দেয়? মাঝরাতে ঘুম ভাঙতেই সব দুষ্টু পাখির দল একসাথে কলরব করে উঠত । হা হা হা.... আমিও হেসে দিতাম ঠিক এমনি করেই । কেন যেন কখনই এদের উপর বিরক্ত হতে পারতাম না । চুপটি করে কাথাঁয় মুখ গুজে রাখতাম যখন বাবার খুক খুক শব্দের কাশির আওয়াজ পেতাম । খোলা জানালা দিয়ে চেয়ে থাকতাম রাতের আকাশটার দিকে । কী যে সুন্দর ছিল সেই আকাশটি, অজস্র তারকাময় । তর্ক করতাম পাখিদের সাথে । কোনটা বেশী সুন্দর এই নিয়ে তর্ক বাধত আমাদের । নক্ষত্রগুলো না ভাঙ্গা ঐ চাঁদ । এই ভাবে তর্কে তর্কেই ঘুমিয়ে পড়তাম কখন যেন, টের পেতাম না । প্রতিদিন সকালেই ঘুম থেকে থেকে জাগতাম এক নুতন স্বপ্ন নিয়ে । কত যে স্বপ্ন দেখেছি সে সময় । মধুর ছিল সেই স্বপ্নগুলো ।
হঠাৎ এক রাতে মা আমাকে তাঁর কাছে শুতে বললেন । আমিও খুশিতে আত্নহারা হয়ে মার কোলে ঘুমাতে গেলাম , কোলে মাথা রেখেই শুরু করেছিলাম ছেলেমানুষী আবদার । আজ আমি রাজকুমার এর গল্প শুনব । মা আমার গল্প শুরু করার আগেই মায়ের কোলে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম সেরাতে । স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলাম সেই রাজ কুমারের । নীল সাগরের উপর দিয়ে আসছে সে তাঁর সাদা ঘোড়া ছুটিয়ে। সেই রাতেই আমি আমার জীবনে প্রথম দুঃস্বপ্নের দেখা পেয়েছিলাম। ঘুমের মাঝে নয় সাক্ষাৎ বাস্তবে । দেখলাম বাবাকে বীরের মত যুদ্ধ করতে , মাকে দেখলাম আমাকে আকঁড়ে ধরে রেখে যুদ্ধ করতে এক কুৎসিত ঝড়ের সাথে । শুনলাম বহু মানুষের আর্তচিৎকার । ঐ রাতেই জানলাম , জীবনের বিভিন্ন পদক্ষেপে এইভাবে বিভিন্ন ঝড়ের সাথে আমাকেও যুদ্ধ করতে হবে । বিকেলে ঝড় থামতেই, ঘর এবং মায়ের কোল ছেড়ে বের হয়ে দেখলাম, মাটিতে মিশে আছে আমার ছোট্ট ছাউনী । ওখানে রাখা আমার পুতুলগুলো অনেক খুজলাম এদিক সেদিক । পেলাম না । কাদঁতে শুরু করেছিলাম তখন । খুব কষ্ট হচ্ছিল আমার ঐ পুতুল টার কথা ভেবে । অনেক ঘটা করে আজ যার বিয়ে দিব বলে ভেবে রেখেছিলাম । কেমন যেন করে উঠেছিল মনটা , আমার সঙ্গী পাখিগুলোর কথা মনে পড়তেই , দৌড়ে গেলাম ইউক্যালিপ্টাস গাছটির নীচে । যাবার পর আমি মাটিতে হাটু গেড়ে বসে পড়েছিলাম , ছোট্ট দুটি পাখিকে মরে পড়ে থাকতে দেখবার পর । কাঁদতে কাঁদতে গাছটিকে অনেক বকা ঝকা করেছিলাম সেই বিকেলে। এখনও মনে আছে আমার সেকথাগুলো , বলছিলাম তুই কেন ওদের রক্ষা করতে পারলি না? এত্ত ডাল পালা তোর , তবুও পারলি না ওদের রক্ষা করতে । অতি যত্নে গাছটির নীচে কবর দিয়েছিলাম মৃত পাখি দুটিকে । কিন্তু আমি রেগে থাকতে পারিনি গাছটির উপর ।
ধীরে ধীরে বহু বছর গেল এইভাবে নানা স্বপ্ন আর দুঃস্বপ্নকে ঘিরে । আমার মা , বাবা দুজনকেই দেখেছি ঐ গাছটির নীচে কবর দিতে । বাবার মতো বীর দর্পে না হলেও যুদ্ধ করেছি জীবনের বহু ঝড়ের সাথে। বুড়ো ঐ গাছটির মতো এখনও আমি টিকে আছি । আকাশে ভেসে বেড়ানো এই সাদা মেঘগূলোর মত মাথার চুলগুলোও সব সাদা হয়ে গেছে য়ামার ।
বহু দিন পর এই নীল জলে পা ভিজিয়ে হাটতে হাটতে এখন আবার স্বপ্নগুলো হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কিন্তু এই এই বূড়ো হৃদয় দঃস্বপ্নের আগুনে এতটাই পুড়েছে যে, নীল জল থেকে শুকনো বালুতে পা দুটোকে টেনে এনেছে পরক্ষনেই । হাটতে হাটতে মনের অজান্তেই চলে আসি শহরে । এখন আর সেই ছোট্ট গ্রামটি নেই । কিন্তু বুড়ো গাছটি এখনও ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ঐ একই যায়গায় । গাছটির সামনে পা আটকে যায় আমার । বাবা-মা কে কবর দিয়েছিলাম এখানেই । হৃদয়ে ছবি থাকলেও এখন আর কোন চিহ্ন নেই গাছটির গোড়ায় ।
সেই ঝড়টার পর পর যেমন একটা কষ্ট হচ্ছিল বুকে , আজ এখন আবার সেই কষ্টটি অনুভব করছি । নিজেকে খুব একা লাগছিল সেদিন । আজ বহুদিন পর আমাকে আবার একাকীত্ব পেয়ে বসেছে । ছোট্ট একটা পুতুল আমারও ছিল । আমাকে মা মা বলে ডেকে ডেকে সারাটাদিন অস্থির করে রাখত । আমার পুতুলটাকে বিয়ে দিয়ে , আমার ছোট্ট নাতনী পাই আমি আমার বূড়ো বয়সের সঙ্গী হিসেবে । দুই বোন খুব আনন্দেই কাটাতাম । আমার ছোট্ট বোনটির মাথার উপর থেকে বাবা-মা’র ভালবাসার ছায়াটুকু কেড়ে নেয় , জীবনের আরেকটি ঝড় । তারপর থেকেই আমরা দুই ঝড়ে আক্রান্ত মানুষ এক হয়েছিলাম । কিন্তু ঝড়ের আগমন এখনও থেমে যায় নি । আজ আমার ছোট্ট পুতুলটিকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিল আরেকটি ঝড় । ইউক্যালিপ্টাস গাছটির দিকে তাকিয়ে একসাথে সব মনে পড়ে গেল । আজ সেদিনের মত অভিমান আর কান্না নিয়ে আবার কথা বলতে শুরু করি গাছটির সাথে । “ তোর সাথে আমার বন্ধুত্ব ছিল বলেই কি, আমি আজ একা দাঁড়িয়ে আছি ? তোর মত আমাকেও যুঝতে হলো এতগুলো ঝড়ের সাথে? ঝড়গুলো তোকে ভেঙ্গে না দিলেও আমাকে যে একা করে দিল । আজ থেকে তোর আমার বন্ধুত্ব ঘুচালাম । আর একা থাকব না দাঁড়িয়ে তোর মত করে ।“ হৃদয়টা আমার হাহাকার করে ঊঠে আকাঙ্খায় , প্রতিক্ষা শুরু করি দেই প্রলয়ঙ্কারী সেই ঝড়ের । যে আমাকে একাকীত্বের বাধঁন থেকে মুক্ত করে দিবে ।
_______
বেশ কিছুক্ষন চুপ করে থাকবার পর , পরের পাতাঁয় যাই । আর ভাল লাগল না পড়তে । সেই পুরনো অভ্যাসটির পুনরাবৃত্তি ঘটলাম । আজকের পড়া শেষ করে মন্তব্য লিখতে গিয়ে ক্যালেন্ডারের পাতা দেখে তারিখ টুকে রাখলাম ।আজও লিখাটি পড়বার পর অন্য সবগুলোর মত কিছু লিখতে পারলাম না আমি । শুন্য থেকে গেল মন্তব্য লিখে রাখার জন্য নির্ধারিত স্থানটুকু । কিন্তু আমার পুরোন হয়ে যাওয়া ডায়েরি তার জন্যে নির্ধারিত যায়গায় সযত্নে রেখে দিয়ে , ভোরের সূর্য দেখতে বেরুলাম ঘর ছেড়ে । দেখি আজ কতদূর হাটা যায় সূর্যের পানে ............
(গল্পের নাম দিলাম না আমি , ঐ স্থানটিকে শুন্য করে রাখলাম , তোমাদের পছন্দমত দিয়ে দাও কোন নাম । জীবনের প্রথম এই রকম কিছু লিখলাম ,যথেষ্ট ভয় নিয়ে দিয়ে দিলাম ফোরামে । লিখার মান ভাল না হলে ক্ষমা করবেন এবং ভুল গুলো দৃষ্টিসীমা থেকে দূর করে দিবেন দয়া করে । )
"কবিতায় শুরু করেছিলাম বহু আগে , আজ গল্পে করলাম শেষ" .....পাগল
নীরবতা...একাকীত্ব ...অলীক কল্পনা...অজস্র সপ্ন...অতঃপর......বে
দনা... একাগ্রতা...প্রত্যাশা ...যুদ্ধ ...স্বাধীনতা...অতঃপর ...পূর্নতা... ফলাফল..."পাগল" ।
|
|
|
The administrator has disabled public write access.
|
|
| |
Re:A gift to my Freind - 2008/08/04 06:05 |
|
tweety

| Posts: 916 |   | Karma: 19
|
The Old man & the Sea? Or, Barney & Baby Bop? Lol.
Your thoughts can be a master piece. Hellowww brother, plz donot make it your ‘last journey’?
Yahh,many of us are ‘raat jaga pakhi’…night-riders n Nightingale. But, how many can think n put it into words of those silent moments? Your expression is beautiful…one can see the Blue Ocean infront while reading your thoughts…it’s the ‘thought’ of a ‘Loner’, an introvert. That’s why I love that song ‘mon kano eto kotha bole…’
Ohhh, I thought you are a paagol!
...lolllllll. Paagol ki mone mone kotha bole? I thought otherwise… I thought, a pagol ‘spit’ around…like the Chinese populace in Beijing city, n Bangalis in BD foot-path!...ooopss!
Jokes aside… The fact is, a pagol is an ‘introvert’, and his world is Vast in his own Mind! And, a person who is introverted,usually reserved and tires quickly of attention! If anything is worth highlighting, that’s only the fun incidents around.
The language of surf-culture suits the ‘introvert’ life, bcoz we only talk in silence infront of key board n monitor. Who cares who do you tango with, just talk about tango spins…bcoz every trivial event takes on weight and significance…so, the retrograde narrative of our personal life n family hardly make us ‘great’ in other people’s Eyes!
Someone somewhere wrote about something that marks an ‘introvert’ well. An introvert doesn’t have to be subservient and passive, or practice self-interested politeness and calculated generosity. So your thoughts reflect your personality,together with nuggets of wisdom. Every word of a story tells your ‘mindset’ status. You can end a poem in 10 lines, but can’t end a story even in 10 million words. Yet both a poem n a story needs equal ‘thinking power’. I guess, you fit in both places…so what if you are a pagol?
lolllllllllll. Pechar moto pechaile and kak er moto ka ka korlei can’t make good ‘reading’ materials. ‘knowledge’ is only ‘power’ when we apply it appropriately.
Your ‘thought process’ evolve from a child’s mind, and revolve around a grown-up person. The feelings of a human passes 7 phases in life. You just picked up one of that ‘phase’,and paste it onto this place where we can glimpse n identify your happiness,sorrows n funs. It is well-articulated,and every word touches the heart. Now, the matter is, how do you paste n paint your feelings? Can everybody’s painting be as edible as a Marry Anne Keyes?...the simple writer who convey so easily yet fluently about the powerful daily chores of hers as well as others around…and, I strongly identify her ways of expressions! That’s called success story. I can see such brilliance in your expression too.
Last but not least, what’s the name in a game? Just ‘name’ it n we will love it for your ‘uniqueness’.
Sleeping less or no-sleep, can yield such thought-provoking ‘thoughts’…we rather promote ‘no-sleep’, ‘less talk’ n ‘more thoughts’…what say? Didn’t our great Prophet said, ‘কম খাও, কম ঘুমাও, কম কথা বলো’?
Thnx brother for your Midnight prowl that has culminated into a beautiful piece of literature.
****Expressing my ‘point of view’ for a beautifully composed n well-articulated write-ups (in bangla) by Paagol vai, in English is surely a ‘no-no’ N ‘ অখাদ্য for many…I know , ‘english n bangla’ মিশ্রন দূষনীয় or দোষনীয়…but my problem is, I am ‘neither here nor there’….so, just dump my feelings the same way I think….thats I think in english, speak in bangla, and write in banglish….a perfect khichuri-setup! So, pundits are right to dump me for ‘mess up’ my khichuri. That’s why ,I am taking the opportunity hereafter…I shall ‘dump’ my khichuri in other people’s plate?!!! Who can intrude here to wash the dirty plates? Lolznshuemshskslaoal
a.********
MIRACLE IN IVORY TOWER...
|
|
|
The administrator has disabled public write access.
|
|
|